না, উদ্দীপকটি 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের সমগ্র ভাবকে ধারণ করে না। কারণ উদ্দীপকে বর্ণিত দিকটিই 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসের একমাত্র দিক নয়। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের বুকে তান্ডব চালিয়েছিল, অসংখ্য মানুষকে হত্যা করেছিল। তারা ভেবেছিল বাংলার মানুষ
ভিতু। অস্ত্রের মুখে এরা ভয়ে পিছিয়ে যাবে। বাঙালি তাদের চিন্তাকে সম্পূর্ণ পাল্টে দিল। বাঙালিরা মহাপ্রতিরোধ গড়ে তোলে হানাদারদের বিরুদ্ধে। অবশেষে ত্রিশ লাখ প্রাণের বিনিময়ে অর্জন করে কাঙ্ক্ষিত বিজয়।
উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদার বুদ্ধিমান মানুষ, তার বুকভরা দেশপ্রেম। পাকিস্তানি হানাদাররা থানায় ঘাঁটি স্থাপন করায় এলাকায় লোকজন আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি ছেড়ে পালাতে শুরু করে। তখন কলিমদ্দি দফাদার না পালিয়ে তাদের ঘায়েল করার কৌশল অবলম্বন করেন। হানাদারদের সঙ্গে থেকে তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। একদিন হানাদারদের তিনি গ্রামের পুলের কাছে নিয়ে যান এবং পুল পার হতে গিয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী পানিতে ঝাঁপ দেন। তখন মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে সব হানাদার নিহত হয়। 'কাকতাড়ুয়া' উপন্যাসেও এরূপ চরিত্রের সন্ধান পাওয়া যায়। সেই চরিত্রটি হলো বুদ্ধিমান কিশোর বুধা। সে পাগলের মতো আচরণ করে যাতে কেউ তাকে সন্দেহ করতে না পারে। রাজাকার কমান্ডার আর চেয়ারম্যানের বাড়িতে আগুন লাগায়। হানাদারদের ক্যাম্পের খবর সংগ্রহ করে, কাজের সুযোগে বাঙ্কারে মাইন পুঁতে হানাদারদের হত্যা করে।
Related Question
View All১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!